প্রশ্নের বর্ণনা

a পঞ্চমী তৎপুরুষ
b উপপদ তৎপুরুষ
c প্রাদি সমাস
d বহুব্রীহি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপপদ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: যে পদের পরবর্তী অংশ বা কৃদন্ত পদের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত থাকে এবং তার আগের পদটি উপপদ হিসেবে বসে সমাস গঠন করে, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। পকেটমার শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পকেট মারে যে, যেখানে মার হলো কৃদন্ত পদ এবং পকেট হলো তার উপপদ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। সাধারণত এই সমাসের ব্যাসবাক্যের শেষে যে বা যারা যুক্ত থাকে এবং এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, এটিও একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে পঙ্ক হলো উপপদ। উদাহরণ ২: জলেচর ব্যাখ্যা: জলে চরে যে, এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চমী তৎপুরুষ — পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে, চেয়ে) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ বলে, যা পকেটমার শব্দের গঠনে প্রযোজ্য নয়। B) উপপদ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের মিলনে এই সমাস গঠিত হয়েছে। C) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা প্রাদি শব্দের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয়সাধিত বিশেষ্যের যে সমাস হয় তাকে প্রাদি সমাস বলে। D) বহুব্রীহি — যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি বলে কিন্তু পকেটমার শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যের শেষে যদি যে বা যারা থাকে এবং আগের পদটি বিশেষ্য হয়, তবে সাধারণত তা উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। কৃদন্ত পদের আগের পদটিই হলো উপপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পকেটমার, জলেচর, পঙ্কজ, অগ্রগামী ইত্যাদি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0