প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু
b অব্যয়ীভাব
c নিত্য সমাস
d বহুব্রীহি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিগু ১. কেন সঠিক: - সমাসবদ্ধ পদের পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ হলে এবং এর মাধ্যমে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হলে তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - তেপান্তরের ব্যাসবাক্য হলো তিন প্রান্তের সমাহার, যেখানে তে (তিন) হলো সংখ্যাবাচক বিশেষণ এবং প্রান্ত হলো বিশেষ্য পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেমাথা ব্যাখ্যা: তিন মাথার সমাহার, যা দ্বিগু সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চৌরাস্তা ব্যাখ্যা: চার রাস্তার সমাহার, যা সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্য পদের মিলনে সমাহার বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্যের মিলনে সমাহার বোঝানো হয়েছে। B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয় পদের অর্থ প্রধান হলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। C) নিত্য সমাস — এই অপশনটি ভুল কারণ যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যাবাচক শব্দ + বিশেষ্য পদ + সমাহার বা সমষ্টি = দ্বিগু সমাস। - তেপান্তর শব্দের তে অর্থ তিন, যা সংখ্যা নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত সমাহার বা সমষ্টি শব্দ থাকে। - সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলেই দ্বিগু সমাস দাগানোর আগে দেখতে হবে পরপদটি বিশেষ্য কি না এবং সমাহার বোঝাচ্ছে কি না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0