প্রশ্নের বর্ণনা

a ষষ্ঠী তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c দ্বন্দ্ব
d বহুব্রীহি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ‘রাজার পুত্র’ সমান রাজপুত্র। এখানে পূর্বপদের সঙ্গে সম্বন্ধ পদ বা ষষ্ঠী বিভক্তি র যুক্ত হয়েছে। - তৎপুরুষ সমাসের নিয়মানুসারে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (বিশেষ করে দ্বিতيয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - সম্বন্ধ পদে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং এই পদটি যখন সমাসবদ্ধ হয়, তখন ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার কন্যা সমান রাজকন্যা ব্যাখ্যা: এখানে রাজার পদের র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ছাত্রের আবাস সমান ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: এখানে ছাত্রের পদের এর বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাসবাক্যে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত সম্বন্ধ পদ ব্যবহৃত হয়েছে। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে মিলে নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, কিন্তু রাজপুত্র শব্দে পুত্রের অর্থ প্রধান। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এখানে ঘটে নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি র বা এর বিভক্তি থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদে তা লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলবে। - রাজা সম্পর্কিত শব্দ যেমন রাজপুত্র, রাজপথ সাধারণত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের নির্ণয় প্রায়ই আসে, তাই বিভক্তি চেনার কৌশল আয়ত্ত রাখা জরুরি। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0