প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - মনগড়া শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মন দিয়ে গড়া। এখানে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে সমাস সাধিত হয়েছে। - তৎপুরুষ সমাস চেনার প্রধান উপায় হলো ব্যাসবাক্যে পূর্বপদের দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী বিভক্তি অথবা কোনো অনুসর্গ লোপ পাওয়া এবং পরপদের অর্থ প্রধান হওয়া। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ (যেমন দিয়া, কর্তক, হইতে, থেকে, চে ইত্যাদি) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - মনগড়া শব্দটিতে মন পদের সাথে দিয়া অনুসর্গ যুক্ত ছিল, যা সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় লোপ পেয়েছে। এটি করণ তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুমাখা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য মধু দিয়া মাখা। এখানে দিয়া অনুসর্গ লোপ পেয়ে করণ তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রমলব্ধ ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য শ্রম দ্বারা লব্ধ। এখানে দ্বারা অনুসর্গ লোপ পেয়ে করণ তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে এবং, ও, বা ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, যা এখানে নেই। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে অনুসর্গ লোপের ব্যাপার রয়েছে। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বজায় না থেকে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, যা মনগড়া শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনগড়া মানে হলো মন দিয়ে গড়া। কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম দিয়ে কাজ বোঝালে তা করণ তৎপুরুষ সমাস হয়। - তৎপুরুষ সমাস মনে রাখার জন্য ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পাওয়া শব্দগুলো প্রায়ই তৎপুরুষ সমাস হিসেবে আসে। - দিয়া, দ্বারা, কর্তক থাকলে তা করণ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0