প্রশ্নের বর্ণনা

a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c অব্যয়ীভাব
d বহুব্রীহি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - পুষ্পসৌরভ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পুষ্পের সৌরভ, যেখানে ষষ্ঠী বিভক্তির র লোপ পেয়েছে। - পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চে, র, এর) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - ব্যাসবাক্যে ষষ্ঠী বিভক্তি (র বা এর) থাকার কারণে এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজপথ ব্যাখ্যা: রাজার পথ, এখানে ষষ্ঠী বিভক্তির র লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: ছাত্রদের আবাস, এখানেও ষষ্ঠী বিভক্তির এর লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিভক্তির সম্পর্ক রয়েছে। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বোঝায় না, অন্য কোনো পদকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি র বা এর বিভক্তি থাকে এবং তা সংক্ষেপ করার পর লোপ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য করে বিভক্তির উপস্থিতি যাচাই করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ষষ্ঠী ও চতুর্থী তৎপুরুষ থেকে বেশি প্রশ্ন আসে। - বিভক্তি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0