প্রশ্নের বর্ণনা

a লক্ষণ সেনের রাজগ্রন্থাগার থেকে
b নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে
c মহাস্থানগড়ের রাজা পরশুরামের গোলাঘর থেকে
d বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে কেন সঠিক: শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের এক গোয়ালঘরের চালা থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। অবহেলিত অবস্থায় থাকা এই প্রাচীন পুথিটি উদ্ধার করে তিনি বাংলা সাহিত্য গবেষণার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নির্দেশ করে। বসন্তরঞ্জন রায় এই পুথিটি উদ্ধার করে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। উদাহরণস্বরূপ, চর্যাপদ আবিষ্কারের মতোই কাকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য উদ্ধার বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ সেনের রাজগ্রন্থাগার থেকে — এই স্থান থেকে চর্যাপদের পুথি বা অন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হলেও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পাওয়া যায়নি। B) নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এখান থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন, যা এই কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) মহাস্থানগড়ের রাজা পরশুরামের গোলাঘর থেকে — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল তথ্য যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। D) বাঁকুড়ায় কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে — এটি সঠিক তথ্য হওয়ায় এই অপশনটি এখানে ভুল হিসেবে গণ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য উদ্ধারের সঙ্গে বাঁকুড়ার কাকিল্যা গ্রাম এবং গোয়ালঘরের চালা শব্দটি মনে রাখলে উত্তর ভুল হবে না। গবেষক বসন্তরঞ্জন রায়ের নাম এবং কাকিল্যা গ্রাম একসঙ্গে মিলিয়ে পড়লে এই ঐতিহাসিক তথ্য সহজে মনে রাখা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0