প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
b বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
c সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
d বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - মানব শব্দটি মনু যোগ ষ্ণ (ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অ এবং ণ-হসন্ত লোপ পায়) যোগে গঠিত হয়েছে যা সংস্কৃত ভাষার শব্দ এবং প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের নিয়ম মেনে এসেছে। - এখানে মনু হলো বিশেষ্য পদ এবং তার সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে, যা মূল শব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠিত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। - বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয় এবং যা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ব্যবহৃত হয় তা সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানব ব্যাখ্যা: মনু যোগ ষ্ণ প্রত্যয় যোগে মানব শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পার্থ ব্যাখ্যা: পৃথু যোগ ষ্ণ প্রত্যয় যোগে পার্থ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় — এটি সঠিক কারণ মানব শব্দটি সংস্কৃত শব্দ থেকে তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। B) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় — মানব শব্দটি খাঁটি বাংলা শব্দ নয় এবং বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়নি। C) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় — কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতুর সঙ্গে, কিন্তু মানব গঠিত হয়েছে বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয়ে। D) বাংলা কৃৎ প্রত্যয় — মানব শব্দটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয় কারণ এটি সংস্কৃত উৎসের এবং বিশেষ্য পদভিত্তিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - তদ্ধিত প্রত্যয় বসে নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) পরে আর কৃৎ প্রত্যয় বসে ক্রিয়ামূল বা ধাতুর পরে। - মানব শব্দটি মনু নামক নামপদ থেকে এসেছে তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় শব্দটির উৎস এবং প্রকৃতি বা মূল শব্দ কোনটি তা আগে নিশ্চিত করতে হবে। - সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0