প্রশ্নের বর্ণনা

a বাগ্+দান
b বাগ+দান
c বাক+দান
d বাক্+দান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্+দান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। প্রথম পদের অন্তে থাকা অঘোষ অল্পপ্রাণ স্পর্শ ধ্বনি ক, চ, ট, ত, প পরবর্তী ঘোষ ধ্বনির প্রভাবে নিজ বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এখানে 'বাক্' শব্দের অন্তস্থিত 'ক্' ধ্বনিটি পর পদের প্রথম বর্ণ 'দ' (ত বর্গীয় ঘোষ ধ্বনি) এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নিজ বর্গের তৃতীয় ধ্বনি 'গ্' এ পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ন অনুযায়ী ক, চ, ট, ত, প এর পর যদি কোনো স্বরধ্বনি, বর্গের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ণ কিংবা অন্তস্থ য, র, ল, ব, হ থাকে তবে প্রথম ক, চ, ট, ত, প স্থানে যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব হয়। - এই নিয়মে পদের শেষের অঘোষ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনির প্রভাবে ঘোষ বা তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ+ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: এখানে ত এর পর স্বরধ্বনি ঈ থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে দ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: দিক+অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: এখানে ক এর পর স্বরধ্বনি অ থাকার কারণে ক পরিবর্তিত হয়ে গ এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগ্+দান — এই অপশনটিতে প্রথম পদে গ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সন্ধির মূল গঠনের নিয়মের সাথে মেলে না। B) বাগ+দান — এই অপশনে ব-ফলা বা হসন্তের সঠিক ব্যবহার নেই এবং বানানটিও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী ভুল। C) বাক+দান — এই অপশনে প্রথম পদের শেষে হসন্ত বা কোলন না থাকায় সন্ধির নিয়মের ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন বোঝানো হয়নি। D) বাক্+দান — এটি সঠিক কারণ এখানে প্রমিত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম ও হসন্ত যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যঞ্জনসন্ধি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম শব্দের শেষে হসন্তযুক্ত ক, চ, ট, ত, প থাকলে এবং পরের পদে ঘোষ বর্ণ থাকলে প্রথম বর্ণটি বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সবসময় শব্দ দুটির অর্থপূর্ণ অস্তিত্ব খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে বাক+ দেবী সমান বাগদেবী শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ ও প্রয়োগ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0