প্রশ্নের বর্ণনা

a বিভক্তির কাজ করে
b শব্দের অর্থের পরিবর্তন করে
c শব্দের অর্থ স্পষ্ট করে
d বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে ১. কেন সঠিক: অনুসর্গগুলো মূলত স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বাক্যের অর্থকে আরও স্পষ্ট ও নিখুঁত করে তোলে। এগুলো বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপন করে বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে সহায়তা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গগুলো কখনো শব্দের মতো আবার কখনো বিভক্তির মতো কাজ করলেও এদের প্রধান কাজ হলো বাক্যের ভাব বা অর্থ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুলের জন্য ভালোবাসা। ব্যাখ্যা: এখানে জন্য অনুসর্গটি বিশেষ্য পদের পরে বসে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করেছে। উদাহরণ ২: দেশের তরে জীবন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে তরে অনুসর্গটি বাক্যের অর্থকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে ভূমিকা রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভক্তির কাজ করে — অনুসর্গ অনেক সময় বিভক্তির কাজ করলেও এটি মূলত স্বাধীন পদ, তাই এটি বিভক্তির বিকল্প হতে পারে কিন্তু সরাসরি বিভক্তি নয়। B) শব্দের অর্থের পরিবর্তন করে — অনুসর্গ শব্দের মূল অর্থের পরিবর্তন করে না, বরং বাক্যের ভেতরের পদগুলোর সম্পর্ক ও ভাব প্রকাশ করে। C) শব্দের অর্থ স্পষ্ট করে — অনুসর্গ এককভাবে কোনো শব্দের অর্থ স্পষ্ট করে না, বরং পুরো বাক্যের অর্থ প্রকাশে বা ভাব বোঝাতে সাহায্য করে। D) বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অনুসর্গের মূল কাজ হলো বাক্যের অর্থ সুন্দরভাবে প্রকাশ করা। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুসর্গ মানেই হলো অনুসৃত হওয়া বা পিছে বসা, যা বাক্যের অর্থ প্রকাশে বড় ভূমিকা রাখে। মনে রাখবে অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে বসে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই অনুসর্গগুলো যেমন বিনা, ছাড়া, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। বিভক্তি শব্দের সাথে মিশে থাকে আর অনুসর্গ আলাদা বসে, এই পার্থক্যটি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0