প্রশ্নের বর্ণনা

a বাক্যকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে
b বাক্যকে সহজবোধ্য করে তোলে
c বাক্যের ভাবভঙ্গিকে বলিষ্ঠ করে তোলে
d বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে জটিলতামুক্ত করে তোলে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্যকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে ১. কেন সঠিক: - বাক্যের তিনটি প্রধান গুণের অন্যতম হলো মাধুর্য গুণ, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং শ্রোতার মনকে আকর্ষণ করে। - মাধুর্য গুণের উপস্থিতির ফলে বাক্যটি কেবল অর্থ প্রকাশ করে না, বরং পাঠকের মনে এক ধরনের নান্দনিক অনুভূতির জন্ম দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য গঠনে পদের উপযুক্ত বিন্যাস, শ্রুতিমধুর শব্দের ব্যবহার এবং আলংকারিক প্রয়োগ মাধুর্য গুণ সৃষ্টি করে। - এটি মূলত কাব্যে বা গদ্যে মনের ভাবকে অত্যন্ত সুন্দর, আকর্ষণীয় ও চিত্তাকর্ষকভাবে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে শব্দের সুবিন্যাস ও চিত্রকল্পের উপস্থিতির কারণে এক ধরনের মাধুর্য গুণ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: কনকচাঁপা হাসে বনে বনে। ব্যাখ্যা: শ্রুতিমধুর শব্দ ও ধ্বনি সামঞ্জস্যের কারণে বাক্যটি হৃদয়গ্রাহী বা মাধুর্যমণ্ডিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে — এটি মাধুর্য গুণের প্রধান ও সঠিক বৈশিষ্ট্য। B) বাক্যকে সহজবোধ্য করে তোলে — এটি বাক্যের যোগ্যতা বা সরলতার লক্ষণ, মাধুর্য গুণের কাজ নয়। C) বাক্যের ভাবভঙ্গিকে বলিষ্ঠ করে তোলে — এটি বাক্যের ওজঃ গুণের বৈশিষ্ট্য, মাধুর্য গুণের নয়। D) বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে জটিলতামুক্ত করে তোলে — এটি স্পষ্টতা বা প্রসাদ গুণের বৈশিষ্ট্য, যা মাধুর্য গুণ থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের গুণ মূলত তিনটি যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। তবে অলংকার শাস্ত্র অনুযায়ী শৈলীগত গুণ তিনটি যথা প্রসাদ, ওজঃ ও মাধুর্য। - মাধুর্য শব্দের অর্থ মিষ্টি বা সুন্দর। তাই মাধুর্য গুণ মানেই বাক্যকে হৃদয়গ্রাহী বা সুন্দর করে তোলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের গুণ তিনটি (প্রসাদ, ওজঃ, মাধুর্য) থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রসাদ গুণ অর্থ সহজবোধ্যতা, ওজঃ গুণ অর্থ ভাব ও শব্দের তেজ বা বলিষ্ঠতা, এবং মাধুর্য গুণ অর্থ হৃদয়গ্রাহীতা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0