প্রশ্নের বর্ণনা

a বাহুল্য দোষে
b গুরুচণ্ডালী দোষে
c আকাঙ্ক্ষার প্রয়োগ
d বাগধারার শব্দ পরিবর্তন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুরুচণ্ডালী দোষে ১. কেন সঠিক: - তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তদ্ভব বা দেশি শব্দের অমেল ব্যবহারে যে ভাষার দোষ ঘটে, তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। - প্রদত্ত শব্দগুলোতে তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশি বা তদ্ভব শব্দের মিশ্রণ ঘটেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গুরুচণ্ডালী বলতে মূলত ভালো শব্দের সঙ্গে খারাপ বা অসমান শব্দের মিশ্রণকে বোঝায়। - যেমন, গরুর শকট শব্দে গরু হলো তদ্ভব শব্দ এবং শকট হলো তৎসম শব্দ, যা এই দোষের সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব সভা ব্যাখ্যা: সবান্ধব হলো তৎসম শব্দ এবং সভা হলো দেশি শব্দ, যা গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। উদাহরণ ২: মড়ার মাথা ব্যাখ্যা: মড়া হলো তদ্ভব শব্দ এবং মাথা হলো দেশি শব্দ, তবে এর প্রমিত রূপ হলো মৃতশির বা মুণ্ডু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাহুল্য দোষে — একই অর্থের শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ঘটে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) আকাঙ্ক্ষার প্রয়োগ — বাক্য অসম্পূর্ণ থাকলে যে পদের অভাব হয়, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে, যা শব্দের ক্ষেত্রে হয় না। D) বাগধারার শব্দ পরিবর্তন — বাগধারার নির্ধারিত রূপ পরিবর্তন করলে এই ত্রুটি ঘটে, কিন্তু এগুলো বাগধারা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ও দেশি শব্দের বেমানান মিলন দেখলে গুরুচণ্ডালী দোষ মনে রাখবে। - তৎসমের সঙ্গে তদ্ভব বা দেশি শব্দ একসাথে ব্যবহার না করার নিয়মটি মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি অংশে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - শব্দগুলোর সঠিক রূপ জেনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0