প্রশ্নের বর্ণনা

a সামাজিক কাহিনী
b সমাজের রঙ্গরসাত্মক চিত্র
c সামাজিক নির্যাতন
d বাঙালির জীবন কাহিনী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমাজের রঙ্গরসাত্মক চিত্র ১. কেন সঠিক: - বাংলা উপন্যাসের সূচনালগ্নে লেখকেরা সমাজের নানা অসংগতি, কুসংস্কার ও লঘু বিষয়কে হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। - এই ধারার উপন্যাসের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিনোদনের মাধ্যমে সমাজের ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেওয়া এবং পাঠকদের সচেতন করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পূর্বে এবং উনিশ শতকের প্রথমার্ধে রচিত প্রাথমিক উপন্যাসে রঙ্গরস ও ব্যঙ্গের আধিক্য ছিল। - প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল এবং হুতোম প্যাচার নকশা (যা মূলত নকশা জাতীয় রচনা) এই ধারার উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের বাবুদের অপসংস্কৃতি ও রঙ্গরসাত্মক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাচার নকশা ব্যাখ্যা: কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত এই গ্রন্থে কলকাতার বাবু সমাজের নানা রঙ্গরস ও চিত্র দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক কাহিনী — এটি সঠিক হলেও প্রাথমিক উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লঘু ও ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপন। C) সামাজিক নির্যাতন — এটি উপন্যাসের বিষয় হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে রঙ্গরসের আধিক্যই বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল। D) বাঙালির জীবন কাহিনী — এটি খুব বিস্তৃত একটি ধারণা এবং প্রাথমিক উপন্যাসের মূল সুরের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা উপন্যাসের শুরুতেই সমাজের দোষত্রুটি নিয়ে হাসি-মজাক বা রঙ্গরস করার ঝোঁক বেশি ছিল। - প্যারীচাঁদ মিত্র ও কালীপ্রসন্ন সিংহের নাম মনে রাখলে এই ধারার প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা উপন্যাসের আদি রূপ এবং প্রথম সার্থক উপন্যাসের পার্থক্য ভালো করে পড়তে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাথমিক যুগের উপন্যাস ও এর বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0