প্রশ্নের বর্ণনা

a মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়
b বামারঞ্জিকা
c ব্রজবিলাস
d বামাতোষিণী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রজবিলাস ১. কেন সঠিক: - 'ব্রজবিলাস' প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত প্রক্ষিপ্ত বা সমাজসংস্কারমূলক রচনা। - প্রশ্নটিতে প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনার বাইরে কোনটি রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে, আর 'ব্রজবিলাস' অপশনটি প্যারীচাঁদ মিত্রের নয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা উপন্যাসের প্রথম সার্থক রূপকার। তাঁর ছদ্মনাম ছিল টেকচাঁদ ঠাকুর। - তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহার করেন যা আলালী ভাষা নামে পরিচিত এবং তাঁর অমর সৃষ্টি 'আলালের ঘরের দুলাল'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: অভేদী ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত একটি আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক উপন্যাসের নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায় — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সামাজিক কুসংস্কার বিরোধী প্রবচনমূলক গ্রন্থ। B) বামারঞ্জিকা — এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত নারীশিক্ষা ও নারীকল্যাণমূলক একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। C) ব্রজবিলাস — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি গ্রন্থ এবং প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনা না হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। D) বামাতোষিণী — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের একটি বিখ্যাত রচনা যা নারীসমাজের উন্নয়ন ও শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য টেকচাঁদ ঠাকুরের 'আলাল' ও 'মদ খাওয়া' রচনাগুলো বারবার চর্চা করতে পারো। - বিদ্যাসাগরের 'ব্রজবিলাস' ও 'বোধোদয়' গ্রন্থগুলোর সাথে প্যারীচাঁদ মিত্রের গ্রন্থগুলোর নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'আলালের ঘরের দুলাল' কার লেখা এবং এর রচয়িতার ছদ্মনাম কী, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় মূল রচনার পাশাপাশি লেখকের ছদ্মনাম এবং অন্যান্য সামাজিক রচনাগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0