প্রশ্নের বর্ণনা

a নেপালের রাজদরবার থেকে
b বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে
c নেপালের রাজবাড়ির রান্নাঘর থেকে
d বার্মার এক গৃহস্থ বাড়ি থেকে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বড়বাজার থানার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত হয়। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাঁকুড়ার ক্যানেল সাহিত্য সংগ্রাহক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভের বাড়ির গোয়ালঘরের মাচা থেকে এটি আবিষ্কার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুথি। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি প্রথম প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় নেপালের রাজদরবার থেকে। ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: মনসা মঙ্গল কাব্যের আদি রচয়িতা কানাহ হরি দত্ত। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে এটি একটি প্রামাণ্য সাহিত্যিক তথ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপালের রাজদরবার থেকে — এটি চর্যাপদ আবিষ্কারের স্থান হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। B) বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে — এটি সঠিক উত্তর। C) নেপালের রাজবাড়ির রান্নাঘর থেকে — এমন কোনো ঐতিহাসিক সাহিত্য আবিষ্কারের স্থান এটি নয়। D) বার্মার এক গৃহস্থ বাড়ি থেকে — এই অপশনটি কাল্পনিক ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ পাওয়া গেছে নেপালে আর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পাওয়া গেছে বাঁকুড়ার কাঁকিল্যা গ্রামে। - আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় এবং স্থান বাঁকুড়া মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এবং আবিষ্কারের সাল ১৯০৯। - মধ্যযুগের অন্যান্য নিদর্শন এবং তাদের আবিষ্কারক বা প্রাপ্তিস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0