প্রশ্নের বর্ণনা

a অযৌক্তিক উপমা
b অনাবশ্যক স্বল্পতা
c আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য
d বাহুল্য কথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য ১. কেন সঠিক: ভাব-সম্প্রসারণ হলো কোনো প্রবাদ, প্রবচন বা কাব্যাংশের মূল ভাবকে সহজ ও সুন্দর ভাষায় বিস্তৃত করে ফুটিয়ে তোলা। এতে মূল ভাবকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিমিত ও প্রয়োজন অনুযায়ী শব্দের ব্যবহার করা আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাব-সম্প্রসারণের মূল কাজ হলো একটি গভীর ভাবকে সহজ করে প্রকাশ করা। এতে অপ্রয়োজনীয় কোনো কথা বা পুনরাবৃত্তি রাখা হয় না, আবার লেখার মান বজায় রাখতে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য বা পরিমিতিবোধ বজায় রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটির ভাব-সম্প্রসারণ করতে গিয়ে লোভের কুফল এবং এর পরিণতি সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট ও সামঞ্জস্যপূর্ণ দৈর্ঘ্য বজায় রাখা হয়। উদাহরণ ২: পরশ্রীকাতরতা জাতির পতনের মূল কারণ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের ভাব-সম্প্রসারণে ঈর্ষার ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরতে গিয়ে অতিরিক্ত কথা না বাড়িয়ে পরিমিত বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অযৌক্তিক উপমা — ভাব-সম্প্রসারণে কোনো অযৌক্তিক বা অবাস্তব উপমা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। B) অনাবশ্যক স্বল্পতা — ভাব-সম্প্রসারণে ভাব ফুটিয়ে তোলার মতো পর্যাপ্ত কথা না বলে খুব সংক্ষেপে শেষ করলে মূল ভাব অস্পষ্ট থেকে যায়। D) বাহুল্য কথা — ভাব-সম্প্রসারণে একই কথার পুনরাবৃত্তি বা অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য বর্জন করতে হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাব-সম্প্রসারণ মানেই হলো মূল ভাবকে না বাড়িয়ে বা না কমিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সুন্দর ও পরিমিত আকারে ফুটিয়ে তোলা। তাই এর প্রধান শর্ত হলো পরিমিতিবোধ বা আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য বজায় রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাব-সম্প্রসারণের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মনে রাখবে, ভাব-সম্প্রসারণে সংক্ষিপ্ততা ও দীর্ঘতার একটি ভারসাম্য বা আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0