প্রশ্নের বর্ণনা

a তৎসম
b তদ্ভব
c দেশী
d বিদেশী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিদেশী ১. কেন সঠিক: - জানাযা শব্দটি মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি বিদেশী শব্দ। - এটি ইসলামিক সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত মৃত ব্যক্তির দাফনের পূর্ববর্তী বিশেষ নামাজ বা জানাজাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশী ও বিদেশী শব্দ। - যেসব শব্দ আরবি, ফার্সি, ইংরেজি, পর্তুগিজ বা অন্যান্য বিদেশি ভাষা থেকে সরাসরি বা পরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে বিদেশী শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাকবির ব্যাখ্যা: তাকবির একটি আরবি শব্দ, যা ইসলাম ধর্মে মহান আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার অর্থে বিদেশী শব্দ হিসেবে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ইজমা ব্যাখ্যা: ইজমা ইসলামিক শরীয়তের একটি পরিভাষা এবং এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশী শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি অপরিবর্তিত রূপে বাংলায় এসেছে। জানাযা সংস্কৃত শব্দ নয়। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সেইসব শব্দ যার উৎস প্রাকৃত বা সংস্কৃত হলেও বিবর্তনের মাধ্যমে রূপ বদলেছে। জানাযা বিবর্তিত দেশীয় বা প্রাকৃত শব্দ নয়। C) দেশী — দেশী শব্দ হলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ। জানাযা কোনো আদিবাসী ভাষা থেকে আসেনি। D) বিদেশী — এটি সঠিক কারণ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইসলাম ধর্ম, নামাজ, রোজা, কুরবানি বা জানাজার মতো ধর্মীয় ও সামাজিক পরিভাষার বেশিরভাগ শব্দই সাধারণত আরবি ভাষা থেকে আসা বিদেশী শব্দ হয়। - ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সংক্রান্ত আরবি শব্দ দেখলেই সেগুলোকে বিদেশী শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ধর্ম ও শাসনকার্য সম্পর্কিত আরবি ও ফার্সি শব্দগুলো প্রায়ই বিদেশী শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে দেওয়া হয়। - শব্দের উৎস নির্ণয়ের জন্য শব্দটির মূল ভাষা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0