প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের স্বীকার হন।
b বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন।
c বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন।
d বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে বানানের সঠিকতা এবং শব্দের উপযুক্ত প্রয়োগ বিবেচনা করা হয়েছে। বিদ্বান শব্দের সঠিক বানান হলো ব-ই-দ-ব-ফলা-আ-ন, এবং দরিদ্রতার পরিবর্তে দারিদ্র্য শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। - এখানে শিকার হওয়া বলতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া বোঝানো হয়েছে, যা বাক্যটির অর্থকে সম্পূর্ণ ও নির্ভুল করে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়মানুযায়ী শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি দোষ ঘটাতে নেই। দরিদ্র শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে দরিদ্রতা বলা প্রমিত বাংলায় অশুদ্ধ, এর সঠিক রূপ হলো দারিদ্র্য। - একইভাবে বিদ্যান বানানটি ভুল, সঠিক রূপ হলো বিদ্বান। এছাড়া কোনো অপরাধ বা দোষ স্বীকার করা যায়, কিন্তু দুর্দশা বা খারাপ অবস্থার ক্ষেত্রে স্বীকার না বলে শিকার হওয়া বলতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। ব্যাখ্যা: এখানে দরিদ্রতার পরিবর্তে শুদ্ধ রূপ হিসেবে দারিদ্র্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: লোভের বশে মানুষ অপরাধের শিকার হয়। ব্যাখ্যা: অপ্রীতিকর বা বিপদের মুখোমুখি হওয়া বোঝাতে শিকার শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের স্বীকার হন — এখানে বিদ্যান বানান ভুল (বিদ্বান হবে) এবং খারাপ অবস্থায় পড়ার ক্ষেত্রে শিকারের জায়গায় স্বীকার লেখা হয়েছে। B) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও অর্থ অনুযায়ী সঠিক। C) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন — এখানে বিদ্যান বানান ভুল এবং দরিদ্রতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত নয়। D) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন — এখানে দরিদ্রতা ও স্বীকার দুটি শব্দই ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্বান বানানে ন-ত্ব বিধান অনুযায়ী মূর্ধন্য ন হয় এবং দারিদ্র্য বানানে জ্য-ফলা যুক্ত হয়। - দুর্দশার ক্ষেত্রে শিকার ব্যবহার করবে এবং ভুলের ক্ষেত্রে স্বীকার ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি এবং বাক্য শুদ্ধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - দরিদ্র শব্দের বিশেষ্য রূপ হিসেবে দরিদ্রতা বর্জন করে সবসময় দারিদ্র্য বা দারিদ্র ব্যবহার করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0