প্রশ্নের বর্ণনা

a চন্ডীদাস
b বড়ু চণ্ডীদাস
c দীজ চণ্ডীদাস
d বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিদ্যাপতি কেন সঠিক: বিদ্যাপতি তাঁর মধুর পদাবলীর জন্য বিখ্যাত ছিলেন এবং তাঁর উপাধি ছিল অভিনব জয়দেব। সংস্কৃত কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ কাব্যের অনুকরণে তিনি বাংলা ও মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত কবি জয়দেবের পদশৈলী বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। বিদ্যাপতি মিথিলার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের আদি ও মধ্যযুগে তাঁর প্রভাব অত্যন্ত অপরিসীম ছিল। তাঁর রচিত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদগুলো জয়দেবের গীতগোবিন্দ কাব্যের মধুর রসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্ডীদাস — চন্ডীদাস পদাবলী সাহিত্যের এক প্রধান কবি হলেও তাঁকে অভিনব জয়দেব উপাধি দেওয়া হয়নি। তিনি মূলত সহজিয়া প্রেমের এবং শ্রীকৃষ্ণের কীর্তনের পদ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। B) বড়ু চণ্ডীদাস — বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একমাত্র আবিষ্কার করা রচয়িতা এবং তাঁর পদশৈলী ভিন্ন প্রকৃতির। তিনি প্রাচীন কথ্য ভাষার আদলে তাঁর কাব্য রচনা করেছিলেন যা জয়দেবের শৈলী থেকে আলাদা। C) দীজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস নামে মধ্যযুগে কয়েকজন পদকর্তা কাব্য রচনা করেছেন কিন্তু তাঁরা এই উপাধি পাননি। তাঁদের পদগুলোতে রাধার আকূতি ও বিরহের সুর বেশি ফুটে উঠেছে যা অভিনব জয়দেব উপাধির সাথে মেলে না। D) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর। এটি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য প্রদান করা হয়েছে যাতে সঠিক কবিকে সহজেই চিনে নেওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: জয়দেব মানেই ভক্তি ও শৃঙ্গার রসের মধুরতা আর বিদ্যাপতি হলেন সেই ধারার বাংলা ও মৈথিলীর অভিনব রূপকার। তাই অভিনব জয়দেব বললেই নামের সাথে বিদ্যাপতি কবিকে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0