প্রশ্নের বর্ণনা

a কাব্যরত্মাকর
b সাহিত্য বিশারদ
c সাহিত্য সরস্বতী
d বিদ্যাবিনোদিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাহিত্য বিশারদ ১. কেন সঠিক: - কবি ও সাহিত্যিক শেখ ফজলুল করিম তাঁর সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ সাহিত্য বিশারদ উপাধিতে ভূষিত হন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, যার মধ্যে শেখ ফজলুল করিমের এই উপাধিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ ফজলুল করিম ১৮৮২ সালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, যিনি মূলত কাব্যচর্চা ও ইসলাম প্রচারমূলক রচনার জন্য পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী ব্যাখ্যা: বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার মুনীর চৌধুরী তাঁর সাহিত্যিক অবদানের জন্য সমাদৃত। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ব্যাখ্যা: ভাষাচার্য ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় অনন্য ভূমিকা রাখেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যরত্নাকর — এটি শেখ ফজলুল করিমের উপাধি নয়, অন্য কোনো সাহিত্যিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) সাহিত্য বিশারদ — এটি সঠিক উত্তর এবং শেখ ফজলুল করিমের উপাধি হিসেবে স্বীকৃত। C) সাহিত্য সরস্বতী — এটি এই সাহিত্যিকের উপাধি নয় এবং এটি অন্য কোনো লেখক বা পন্ডিতের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) বিদ্যাবিনোদিনী — এটি শেখ ফজলুল করিমের উপাধির সঙ্গে মেলে না এবং এটি সাধারণত নারী সাহিত্যিক বা পন্ডিতদের প্রদত্ত উপাধি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শেখ ফজলুল করিম এবং সাহিত্য বিশারদ শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে করিম শব্দের সঙ্গে বিশারদ যুক্ত করে একটি ছন্দ তৈরি করতে পারো। - সাহিত্যিকদের উপাধি মনে রাখার জন্য একটি আলাদা তালিকা তৈরি করে প্রতিদিন একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত উপাধি এবং প্রকৃত নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সরাসরি কমন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0