প্রশ্নের বর্ণনা

a সন্ধিজনিত
b প্রত্যয়জনিত
c উপসর্গজনিত
d বিভক্তিজনিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়জনিত ১. কেন সঠিক: - উৎকর্ষতা শব্দটি প্রত্যয়জনিত কারণে অশুদ্ধ কারণ মূল শব্দের সঙ্গে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি শব্দে দুটি ভাববাচক প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎকর শব্দের সঙ্গে প্রথমে ষঞ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উৎকর্ষ গঠিত হয় যার অর্থ বিশেষ উৎকর্ষ বা ভালো অবস্থা। - উৎকর্ষ শব্দের সঙ্গে পুনরায় ভাববাচক তা প্রত্যয় যুক্ত করায় এটি দ্ব্যর্থক ও ব্যাকরণগত দিক থেকে দ্বিরুক্তি দোষে দুষ্ট হয়ে অশুদ্ধ রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দটি শুদ্ধ কিন্তু স্বায়ত্তশাসনতা অশুদ্ধ কারণ এখানেও অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দারিদ্র্য ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য গঠিত হয় কিন্তু দারিদ্র্যতা লেখা সম্পূর্ণ ভুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধিজনিত — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দটিতে সন্ধির কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি বা সন্ধিজনিত কোনো ত্রুটি নেই। B) প্রত্যয়জনিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহারের ত্রুটি রয়েছে। C) উপসর্গজনিত — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দ গঠনে কোনো উপসর্গ ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়নি। D) বিভক্তিজনিত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই শব্দে য এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে বসে না। - উৎকর্ষ মানেই বিশেষ গুণ তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত তা যোগ করে উৎকর্ষতা বলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবার উৎকর্ষতা, দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসনতা জাতীয় শব্দ শুদ্ধকরণে এসেছে। - ব্যাকরণে বাহুল্য দোষ এড়াতে একটি প্রত্যয়যুক্ত শব্দের সঙ্গে আরেকটি সমার্থক প্রত্যয় যোগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0