প্রশ্নের বর্ণনা

a মা মনসার পূজা করা
b চণ্ডীপূজা করা
c ধর্মের মঙ্গল সাধনা করা
d বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করা ১. কেন সঠিক: মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। এই কাব্যের মূল লক্ষ্য ছিল সমাজের সাধারণ মানুষের মধ্যে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা এবং তাদের পূজা অর্চনার প্রথা প্রতিষ্ঠা করা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে রচিত এসব কাব্যের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পৌরাণিক দেবদেবীর পাশাপাশি লৌকিক দেবদেবীর পূজা প্রচলন করা। দেবদেবীর মহিমাকীর্তন ও তাদের ব্রত পালনের কথা প্রচার করাই ছিল এই সাহিত্য ধারার মূল বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত মঙ্গলকাব্য। উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার ও পূজা প্রসারের উদ্দেশ্যে রচিত মঙ্গলকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা মনসার পূজা করা — এটি সঠিক হলেও কেবল মনসা দেবীকে বোঝায়, যা সমগ্র মঙ্গলকাব্য ধারার সার্বিক উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে না। B) চণ্ডীপূজা করা — এটিও মঙ্গলকাব্যের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সকল মঙ্গলকাব্যের প্রধান উদ্দেশ্য কেবল চণ্ডীপূজা প্রচার করা ছিল না। C) ধর্মের মঙ্গল সাধনা করা — এটি মঙ্গলকাব্যের নামের অংশ হলেও এর প্রকৃত অর্থ সাধারণ মানুষের আধ্যাত্মিক কল্যাণ নয়, বরং দেবপূজা প্রচার। D) বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মঙ্গলকাব্যে মনসা, চণ্ডী, ধর্মঠাকুর প্রভৃতি বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা প্রচার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্য মানেই দেবদেবীর মঙ্গল বা পূজা প্রচার। মনসা, চণ্ডী ও ধর্মঠাকুরের নাম মনে রাখলেই এই ধারার মূল উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয়ে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারা হলো মঙ্গলকাব্য। এই কাব্যগুলো সাধারণত পাঁচ অংশে বিভক্ত থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0