প্রশ্নের বর্ণনা

a অনিক্রমতা
b ঈষৎ
c সমগ্র
d বিরোধ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈষৎ ১. কেন সঠিক: - এখানে 'আ' উপসর্গটি বিশেষ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে ঈষৎ বা কিঞ্চিৎ অর্থে বিশেষণের কাজ করেছে। - 'রক্তিম' শব্দের অর্থ লাল, আর তার পূর্বে 'আ' যুক্ত হয়ে 'আরক্তিম' হয়েছে যার অর্থ ঈষৎ লাল বা সামান্য লাল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন-প্রসারণ ঘটায়। - 'আ' একটি উপসর্গ যা বিভিন্ন অর্থে যেমন আতিশয্য, ঈষৎ, অভাব, ব্যাপ্তি ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্তা ব্যাখ্যা: এখানে 'আ' উপসর্গটি ঈষৎ বা সামান্য পাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন আধা পাকা বা আক্তা আম। উদাহরণ ২: আতুঁড় ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে 'আ' যুক্ত হয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, যা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের অন্যতম উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিক্রমতা — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ অনিক্রমতা বলতে অতিক্রম না করার ভাব বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ঈষৎ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নির্দেশিত হয়েছে। C) সমগ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ 'আ' উপসর্গটি এখানে সম্পূর্ণ বা সমগ্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি। D) বিরোধ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিরোধ বা বিপরীতার্থক কোনো অর্থ এখানে প্রকাশ পায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শুরুতে 'আ' যুক্ত হয়ে যদি সামান্য বা কম বোঝায়, তবে সেখানে 'আ' উপসর্গটি ঈষৎ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - যেমন রক্তিম মানে লাল, আর আরক্তিম মানে ঈষৎ লাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং পূর্বে যুক্ত অব্যয় অংশ আলাদা করতে হবে। - এই ধরনের শব্দ গঠনে উপসর্গ সাধারণত বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0