প্রশ্নের বর্ণনা

a সতের শতক
b আঠার শতক
c ঊনিশ শতক
d বিশ শতক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আঠার শতক ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের সূচনা আঠার শতকে পর্তুগিজ ও ইংরেজি মিশনারিদের হাত ধরে শুরু হয়। এই সময়ে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দকোষ রচনার জন্য গদ্যের ব্যবহার শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আঠার শতকের শেষের দিকে এবং উনবিচল শতকের শুরুতে বাংলা গদ্য রূপ লাভ করে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণের অবদানে বাংলা গদ্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যানুয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও রচিত কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। ব্যাখ্যা: এটি আঠার শতকে রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা গদ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: হ্যালহেডের বাংলা ব্যাকরণ Grammar of the Bengali Language. ব্যাখ্যা: এটি আঠার শতকে প্রকাশিত বাংলা মুদ্রণযন্ত্রে মুদ্রিত প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ বই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সতের শতক — এই সময়ে মূলত পদসাহিত্য ও মঙ্গলকাব্য রচিত হতো, গদ্যের সূচনা হয়নি। B) আঠার শতক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই শতাব্দীতেই গদ্যের প্রাথমিক নিদর্শন পাওয়া যায়। C) ঊনিশ শতক — এই শতকে গদ্যের বিকাশ ও উৎকর্ষ ঘটেছিল, সূচনা নয়। D) বিশ শতক — এই শতকে আধুনিক গদ্য ও উপন্যাসের পূর্ণ বিকাশ ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের শুরু আঠার শতকে মিশনারিদের মাধ্যমে আর বিকাশ উনবিচল শতকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মাধ্যমে। এভাবে সময়কাল আলাদা করে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ প্রকাশিত হয় আঠার শতকে। গদ্যের আদি যুগের ব্যাপ্তিকাল সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0