প্রশ্নের বর্ণনা

a সর্বনাম ও বিশেষণ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে
b বিশেষ্য ও সর্বনাম এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে
c সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে
d বিশেষ্য ও বিশেষণ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে ১. কেন সঠিক: সাধুরীতির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর সর্বনাম পদ এবং সমাপিকা বা অসমাপিকা ক্রিয়াপদ নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম ও দীর্ঘ রূপ মেনে চলে। চলতি রীতিতে এই পদগুলোর রূপ পরিবর্তিত হলেও সাধুরীতিতে এগুলো তৎসম বা প্রাচীন কাঠামোগত রূপ বজায় রাখে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার দুটি রূপের মধ্যে সাধুরীতি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও প্রাচীন নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে চলে। এই রীতিতে সর্বনাম পদের রূপ যেমন তাহার, ইহাদের এবং ক্রিয়াপদের রূপ যেমন করিতেছে, গিয়েছিলেন একটি সুনির্দিষ্ট অবয়ব ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি কাজটি করিতেছেন। ব্যাখ্যা: এখানে তিনি সর্বনাম এবং করিতেছেন ক্রিয়াপদ দুটি সাধুরীতির সুনির্দিষ্ট গঠন মেনে চলেছে। উদাহরণ ২: তাহারা মাঠে খেলিতেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তাহারা সর্বনাম এবং খেলিতেছে ক্রিয়াপদ সাধুরীতি অনুযায়ী দীর্ঘ ও পরিবর্তিত রূপ ধারণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম ও বিশেষণ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে — ভুল কারণ সাধুরীতিতে বিশেষণের বিশেষ কোনো গঠনগত পরিবর্তন হয় না বরং ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ পরিবর্তিত হয়। B) বিশেষ্য ও সর্বনাম এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে — ভুল কারণ সাধুরীতিতে বিশেষ্য পদের রূপ সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে, তাই এটি সঠিক নয়। D) বিশেষ্য ও বিশেষণ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে — ভুল কারণ সাধুরীতি ও চলিতরীতির মূল পার্থক্য বিশেষ্য বা বিশেষণে নয়, বরং সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপে প্রকাশ পায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধুরীতি মানেই সাধু মানুষের মতো গম্ভীর ভাষা যেখানে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সবসময় বড় ও দীর্ঘ আকৃতির হয়। মনে রাখার সূত্র হলো সা তে সাধুরীতি, স তে সর্বনাম এবং ক তে ক্রিয়াপদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতীতির রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দেখেই সাধুরীতি বা চলিতরীতি শনাক্ত করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0