প্রশ্নের বর্ণনা

a অহংকার
b বিষের কষ্ট
c অর্থের কুপ্রভাব
d বিষাক্ত তামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কুপ্রভাব ১. কেন সঠিক: - তামার বিষ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তামা ধাতুর কোনো বিষ নয়, বরং এর রূপক অর্থ হলো অর্থের লোভ বা অর্থের কুপ্রভাব। - মানুষের জীবনে অতিরিক্ত ধনসম্পদ বা অর্থের লোভ নৈতিকতা নষ্ট করে এবং সমাজে পতন ঘটায়, যা এই বাগধারার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ শব্দ বা পদের মিলনে গঠিত হয়ে রূপক অর্থে নির্দিষ্ট কোনো ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশের জন্য ব্যাকরণে এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধের যষ্টি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ একমাত্র অবলম্বন, যা ঠিক তামার বিষের মতো রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অকাল পক্ষী ব্যাখ্যা: এর অর্থ অসময়ে পেকে যাওয়া বা অকালপক্ব, যা মানুষের স্বভাব বোঝাতে বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহংকার — অহংকার অর্থে অন্য বাগধারা যেমন আকাশচুম্বী বা গরর্ভ প্রকাশ পায়, কিন্তু তামার বিষ অর্থ অহংকার নয়। B) বিষের কষ্ট — বিষের কষ্ট বলতে সরাসরি শারীরিক যাতনা বা বিষক্রিয়া বোঝায়, যা তামার বিষের রূপক অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) বিষাক্ত তামা — এটি তামার বিষের আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থই সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তামা একটি ধাতু এবং এর সঙ্গে অর্থের লোভ বা কুপ্রভাবের তুলনা করা হয়েছে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে তামা মানেই এখানে অর্থের লোভ। - বাগধারাটি দেখলে মনে রাখবে অর্থের লোভ মানুষের জীবনকে বিষময় করে তোলে, অর্থাৎ অর্থের কুপ্রভাব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রূপক অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - আক্ষরিক অর্থ না ভেবে বাগধারার প্রচলিত অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থ বের করার অনুশীলন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0