প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজসিংহ
b পুরুবিক্রম
c নবাব সিরাজউদ্দৌলা
d বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিষাদ সিন্ধু ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটি বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যের কারবালার ট্র্যাজেডি ও এজিদের নির্মমতার প্রেক্ষাপটে রচিত একটি আবেগঘন সংলাপ। - মীর মশাররফ হোসেনের এই বিখ্যাত উপন্যাসে ইমাম হোসেন ও তাঁর পরিবারের শহীদ হওয়ার পর নির্মম দৃশ্যের আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - বিষাদ সিন্ধু তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ও অমর সাহিত্যকর্ম যা ১৮৯১ সালে প্রকাশিত একটি বিষাদান্তক ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব। ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যিক উপন্যাসের কাঠરીবা বোঝাতে পর্ব বিভাজনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের একটি সামাজিক নাটক হলো জমিদারের দর্পণ। ব্যাখ্যা: এটি নাট্যসাহিত্যের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের কুপ্রথা ও জমিদারদের অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজসিংহ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যেখানে রাজসিংহের বীরত্ব ও জেবউন্নিসার চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। B) পুরুবিক্রম — এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক যা গ্রিক বীর আলেকজান্ডার ও রাজা পুরুর লড়াইয়ের ওপর ভিত্তি করে রচিত। C) নবাব সিরাজউদ্দৌলা — এটি গিরিশচন্দ্র ঘোষ বা শচীন্দ্র সেনগুপ্তের নাটক হতে পারে যা সিরাজউদ্দৌলার পতনের ইতিহাস নিয়ে রচিত। D) বিষাদ সিন্ধু — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত উদ্ধৃতাংশটি এই গ্রন্থ থেকেই নেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিষাদ সিন্ধু মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং কারবালার শোকাবহ কাহিনী। - শোক ও বিষাদযুক্ত কোনো ঐতিহাসিক সংলাপ দেখলে সাধারণত বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসকে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষাদ সিন্ধু গ্রন্থটি উপন্যাস হলেও এর ভাষা ও আকৃতি মহাকাব্যের মতো গদ্যে রচিত। - মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো রত্নবতী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0