প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c অক্ষয়কুমার বড়াল
d বিষ্ণু দে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত চরণ দুটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে। কবিতার ভাব ও ভাষা বিশ্লেষণ করলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোমল ও নান্দনিক কাব্যরীতির স্পষ্ট ছাপ পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা এবং নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক। তার রচিত কবিতা, গান, নাটক ও ছোটগল্প বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, যা তার প্রকৃতির প্রতি গভীর প্রেমের নিদর্শন। উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো, সেইখানে যোগে তোমার সাথে আমারো। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো একটি বিখ্যাত কাব্যপঙ্ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই বিদ্রোহী কবির কাব্যরীতি ও ভাবাদর্শ এই কোমল পঙ্ক্তি দুটির সঙ্গে মেলে না। C) অক্ষয়কুমার বড়াল — তিনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই পঙ্ক্তিটি তার বিখ্যাত রচনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। D) বিষ্ণু দে — তিনি আধুনিক যুগের মার্ক্সবাদী ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার কবি, যার লেখার ধরন এই পঙ্ক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ৫. মনে রাখার টিপস: কোমল ও প্রীতিপূর্ণ প্রেমের এমন নান্দনিক পঙ্ক্তি দেখলে সাধারণ ও প্রধান ধারার কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে রাখা নিরাপদ। বিখ্যাত কবিদের কাব্যপঙ্ক্তি মুখস্থ করার সময় তাদের মূল সুর ও রচনার বিষয়বস্তু মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতা থেকে চরণ তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। তাই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জনপ্রিয় কবিতাগুলোর বিখ্যাত চরণগুলো আলাদা করে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0