প্রশ্নের বর্ণনা

a বিমল ঘোষ
b সমরেশ মজুমদার
c চারুচন্দ্র চক্রবতী
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিমল ঘোষ ১. কেন সঠিক: - ‘মৌমাছি’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক বিমল ঘোষের বিখ্যাত ছদ্মনাম। - বাংলা সাহিত্যে অনেক লেখক তাদের আসল নামের পাশাপাশি পরিচিতির জন্য বা ভিন্ন স্বাদের লেখার জন্য ছদ্মনাম ব্যবহার করে থাকেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিমল ঘোষ মূলত ছোটদের জন্য লেখালেখি করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং মৌমাছি নামেই তিনি শিশুসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। - এই ধরনের সাহিত্যিক ছদ্মনাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সুপরিচিত ছদ্মনাম, যার মাধ্যমে তিনি অসংখ্য ছোটগল্প লিখেছেন। উদাহরণ ২: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, যা তিনি সবুজপত্র পত্রিকায় লেখার সময় ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিমল ঘোষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মৌমাছি তার জনপ্রিয় ছদ্মনাম। B) সমরেশ মজুমদার — এই অপশনটি ভুল কারণ সমরেশ মজুমদারের কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম মৌমাছি নয়, তিনি তার নিজ নামেই প্রখ্যাত। C) চারুচন্দ্র চক্রবর্তী — এই অপশনটি ভুল কারণ চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম ছিল জরাসন্ধ। D) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি ভুল কারণ বুদ্ধদেব বসু ত্রিশের দশকের একজন প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, যার পরিচিত ছদ্মনাম ছিল ভনিতা সেনগুপ্ত বা প্রমথ সান্যাল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মৌমাছি যেমন ফুলে ঘুরে বেড়ায়, তেমনি বিমল ঘোষ তার ছোটদের লেখায় মনের আনন্দে বিচরণ করতেন। - ছদ্মনামগুলো মনে রাখার জন্য খাতায় একটি তালিকা তৈরি করে প্রতিদিন একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিমল ঘোষের ছদ্মনাম মৌমাছি বহুবার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসেছে। - অন্যান্য বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম যেমন পরিমল গোস্বামীর গোবেচারা এবং অন্নদাশঙ্কর রায়ের রীতিকার মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0