প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b জীবনানন্দ দাশ
c সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
d বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: - সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার পঞ্চপাণ্ডবের একজন অত্যন্ত প্রথিতযশা কবি ও প্রাবন্ধিক, যিনি তাঁর জীবদ্দশায় কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। - বাংলা সাহিত্যে তাঁর মূল অবদান কবিতা ও মননশীল প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল, ঔপন্যাসিক হিসেবে তাঁর কোনো আত্মপ্রকাশ ঘটেনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ত্রয়ী যুগের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, যিনি 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যজগতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অর্কেস্ট্রা, মৃণময় সংবর্ত ও আইক্ষ উল্লেখযোগ্য এবং প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে স্বগত ও কুলায় ও কালপুরুষ বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম সেরা একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক মননশীলতার পরিচায়ক। উদাহরণ ২: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ স্বগত ব্যাখ্যা: এটি তাঁর গভীর জ্ঞান ও সাহিত্যালোচনার একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা নামে দুটি বিখ্যাত উপন্যাস রচনা করেছিলেন। B) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ মাল্যবান ও সুতীর্থসহ বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছিলেন যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জীবনের কোনো পর্যায়েই কোনো উপন্যাস লেখেননি। D) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি ভুল কারণ বুদ্ধদেব বসু তিথিডোর ও কালো হাওয়া এর মতো বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - আধুনিক কবিতার পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত একমাত্র কবি যিনি গদ্যসাহিত্যে উপন্যাস অঙ্গনে প্রবেশ করেননি। - তাঁর লেখনী কেবল কবিতা ও সাহিত্য প্রবন্ধের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কবিদের উপন্যাস বা ছোটগল্পের মতো ভিন্ন ধারার প্রথম বা একমাত্র রচনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। - কবি জীবনানন্দ দাশের উপন্যাসগুলো তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিল, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0