প্রশ্নের বর্ণনা

a যিশু খ্রিস্টকে
b হযরত মুহাম্মদ (স) কে
c এম. কে. গান্ধীকে
d বুদ্ধদেবকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হযরত মুহাম্মদ (স) কে ১. কেন সঠিক: মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাইকেল এইচ হার্ট ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত দ্য হান্ড্রেড: এ র‍্যাঙ্কিং অব দ্য মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল পার্সনস ইন হিস্ট্রি গ্রন্থে মানব ইতিহাসের একশত জন সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেন। এই বিশ্বখ্যাত ও আলোচিত তালিকায় তিনি মানবজাতির ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (স) কে এক নম্বর স্থান দিয়েছেন। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: মাইকেল এইচ হার্ট একজন অমুসলিম গবেষক ও বিজ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তনে ইসলামের নবীর অনন্য সাধারণ ধর্মীয় ও পার্থিব সফলতার কথা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি তার এই নির্বাচনে নবীজির ধর্মীয় প্রচারের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সমাজ সংস্কার এবং একই সঙ্গে ধর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনার অসামান্য সাফল্যের বিষয়টিকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্য হান্ড্রেড গ্রন্থটি প্রথম ১৯৭৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই বইটি প্রকাশের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। উদাহরণ ২: এই তালিকায় নিউটন এবং জিশু খ্রিস্টের মতো ব্যক্তিত্বরাও স্থান পেয়েছেন। ব্যাখ্যা: ইতিহাসের বিজ্ঞান ও ধর্মের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের এই গ্রন্থে স্থান দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যিশু খ্রিস্টকে — মাইকেল হার্ট তার তালিকায় যিশু খ্রিস্টকে তৃতীয় স্থান দিয়েছেন, প্রথম স্থান দেননি। B) হযরত মুহাম্মদ (স) কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেখক তাকেই প্রথম স্থান প্রদান করেছেন। C) এম. কে. গান্ধীকে — মহাত্মা গান্ধী এই তালিকায় শীর্ষস্থানীয় কোনো স্থান পাননি এবং তিনি এই স্তরের বিশ্বনেতা নন। D) বুদ্ধদেবকে — গৌতম বুদ্ধ মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ধর্মগুরু হলেও তিনি এই তালিকার শীর্ষস্থান পাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: মাইকেল হার্টের দ্য হান্ড্রেড বইটির এক নম্বর নেতা হলেন ইতিহাসের মহান সংস্কারক হযরত মুহাম্মদ (স)। অমুসলিম লেখকের নিরপেক্ষ মূল্যায়নে ধর্ম ও রাজনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের কথা মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বখ্যাত গ্রন্থ ও তার লেখকের নাম কিংবা বিখ্যাত কোনো তালিকার শীর্ষ ব্যক্তির নাম জানতে চাওয়া হয়। এই ধরনের সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্নের ক্ষেত্রে গ্রন্থটির নাম এবং মূল লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার থাকা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0