প্রশ্নের বর্ণনা

a দামোদর
b গোবিন্দ দাস
c মুরারিগুপ্ত
d বৃন্দাবন দাস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুরারিগুপ্ত ১. কেন সঠিক: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের ওপর রচিত প্রথম নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ হলো মুরারিগুপ্তের কচচা বা করচা। সংস্কৃত ভাষায় রচিত এই জীবনীগ্রন্থে মহাপ্রভুর জীবনের প্রারম্ভিক ও অন্ত্যলীলার বহু প্রামাণিক তথ্য সংরক্ষিত আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুরারিগুপ্ত ছিলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ এবং বিশিষ্ট কবি। তার রচিত গ্রন্থটি মহাপ্রভুর মৃত্যুর পর রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ও বৈষ্ণব ধর্মে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুরারিগুপ্তের করচা। ব্যাখ্যা: এটি শ্রীচৈতন্যের জীবদ্দশায় ও তিরোধানের পরপরই রচিত প্রামাণিক সংস্কৃত জীবনী। উদাহরণ ২: বৃন্দাবন দাসের চৈতন্যমঙ্গল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলায় রচিত শ্রীচৈতন্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সর্বাঙ্গসুন্দর জীবনচরিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দামোদর — দামোদর স্বরূপ মহাপ্রভুর পার্ষদ হলেও তিনি প্রথম জীবনীকার নন, তার নোট বা করচাও চৈতন্যদেবের জীবনী রচনার উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) গোবিন্দ দাস — গোবিন্দ দাস করচা পরবর্তীকালের রচনা এবং এর প্রামাণিকতা নিয়ে ঐতিহাসিক বিতর্ক রয়েছে, তাই এটি প্রথম জীবনী নয়। D) বৃন্দাবন দাস — বৃন্দাবন দাস ঠাকুর চৈতন্যদেবের জীবনের ওপর বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী গ্রন্থ রচনা করেন, যা মুরারিগুপ্তের পর রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ও প্রথম জীবনী মনে রাখতে মুরারিগুপ্ত নামটি মনে রাখুন। বাংলায় প্রথম জীবনীকার বললে বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের নাম আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ও সংস্কৃত উভয় ভাষার চৈতন্য জীবনীকারদের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। শ্রীচৈতন্যের জীবনী সাহিত্যের ক্রমবিকাশ প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0