প্রশ্নের বর্ণনা

a চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ
b মুরারিগুপ্তের চৈতন্য জীবনীমূলক গ্রন্থ
c দামোদর রচিত চৈতন্য জীবনী
d বৃন্দাবন দাস রচিত চৈতন্য জীবনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - 'কড়চা' শব্দের সাধারণ অর্থ দিনলিপি, নোট বা ইতিবৃত্ত হলেও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এটি মূলত চৈতন্যদেবের জীবনীমূলক গ্রন্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদকর্তা ও ভক্তরা মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের নানা ঘটনা লিখে রাখতেন, যা পরবর্তীতে জীবনী সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও প্রভাবে রচিত সাহিত্যকে চৈতন্য জীবনী সাহিত্য বলা হয়। - এই ধারার গ্রন্থগুলো বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবিন্দদাস কড়চা ব্যাখ্যা: এটি শ্রীচৈতন্যদেবের পারিকর গোবিন্দদাস কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কড়চা বা জীবনী গ্রন্থ, যা চৈতন্য মহাপ্রভুর দক্ষিণ ভারত ভ্রমণের বিবরণ দেয়। উদাহরণ ২: মুরারিগুপ্তের কড়চা ব্যাখ্যা: এটি চৈতন্যদেবের ভক্ত মুরারিগুপ্ত সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ, যা চৈতন্য জীবনী সাহিত্যের অন্যতম উৎস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ — এটি সঠিক কারণ 'কড়চা' বলতে সাধারণভাবে চৈতন্যদেবের জীবনীমূলক গ্রন্থকেই নির্দেশ করা হয়েছে। B) মুরারিগুপ্তের চৈতন্য জীবনীমূলক গ্রন্থ — এটি নির্দিষ্ট একটি গ্রন্থের পরিচয় দেয়, কিন্তু 'কড়চা' কেবল মুরারিগুপ্তের গ্রন্থ নয়, এটি একটি সাধারণ পরিভাষা। C) দামোদর রচিত চৈতন্য জীবনী — দামোদর সরূপ গোস্বামীর রচনার সঙ্গে কড়চা নামটি বিশেষভাবে যুক্ত হলেও 'কড়চা' শব্দটির সার্বজনীন অর্থ কেবল দামোদরের রচনা নয়। ডি) বৃন্দাবন দাস রচিত চৈতন্য জীবনী — বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের রচিত গ্রন্থটির নাম শ্রীচৈতন্যভাগবত, যার নামকরণের ধরন ভিন্ন এবং এটি কড়চা হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কড়চা শব্দ দেখলেই মনে রাখবে এটি মধ্যযুগের চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী সম্পর্কিত দিনলিপি বা নোট জাতীয় গ্রন্থ। - পরীক্ষার প্রশ্নে সাধারণ অর্থ হিসেবে চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ আসলে এই অপশনটিই নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রূপ এবং বৈষ্ণব সাহিত্যের উৎস সম্পর্কে জানতে এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের সাহিত্যিক পরিভাষার প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0