প্রশ্নের বর্ণনা

a অল্প
b অণু
c ক্ষুদ্রকায়
d বৃহৎ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রকায় ১. কেন সঠিক: অতিকায় শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত বড় বা বিশাল আকৃতিবিশিষ্ট। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ক্ষুদ্রকায় শব্দটি, যার অর্থ ছোট বা ক্ষুদ্র আকৃতির শরীর বা দেহ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের গঠন, অর্থ এবং মূল ভাবের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়। অতিকায় শব্দটিতে অতি উপসর্গ বা বিশেষ অর্থযুক্ত শব্দাংশ এবং কায় শব্দ যুক্ত রয়েছে, তাই এর বিপরীত শব্দ গঠনে ক্ষুদ্র এবং কায় শব্দের মেলবন্ধন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশাল পাহাড়টি দেখে অতিকায় মনে হলেও এর ভেতরের গুহাটি অত্যন্ত সংকীর্ণ। ব্যাখ্যা: এখানে অতিকায় শব্দটি বিশাল বা বিরাট আকৃতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ডাইনোসর হলো একটি অতিকায় প্রাণী যা আজ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অতিকায় শব্দের মাধ্যমে বিশাল প্রাণী বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অল্প — এই শব্দটি অতিকায় শব্দের বিপরীত হিসেবে সরাসরি প্রযোজ্য নয় কারণ অল্প শব্দের বিপরীত হলো অধিক বা বেশি। B) অণু — অণু শব্দটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র পদার্থ বা কণা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা আকারের বিপরীতার্থক হিসেবে নিখুঁত নয়। C) ক্ষুদ্রকায় — এটি সঠিক উত্তর। D) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বড়, যা অতিকায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে, বিপরীতার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অতি শব্দের অর্থ বেশি বা বড়, তাই অতিকায় মানে বড় দেহ। এর উল্টো খুঁজতে গেলে ক্ষুদ্র মানে ছোট এবং কায় মানে দেহ, এই দুটি মিলে ক্ষুদ্রকায় সঠিক উত্তর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং বিশেষণের ধরন ভালো করে খেয়াল করতে হবে। আকৃতিবাচক শব্দের বিপরীত শব্দে সাধারণত আকৃতিবাচক শব্দই নির্বাচন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0