প্রশ্নের বর্ণনা

a তিব্বত, নেপাল
b সিকিম, ভুটান
c কাশী, বেনারস
d বোম্বে, জয়পুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিব্বত, নেপাল ১. কেন সঠিক: মহ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কারের জন্য তিব্বত ও নেপাল ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের মহামূল্যবান পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, ভাষাতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবেত্তা। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরানো পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা গান সংকলন। ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে এই পুথিটি আবিষ্কার করেছিলেন বলেই আমরা বাংলা সাহিত্যের আদি রূপ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। উদাহরণ ২: হাজার বছরের পুরানো পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক সম্পাদিত চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিব্বত, নেপাল - এই অপশনটি সঠিক কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুথি সংগ্রহের জন্য নেপাল ও তিব্বতে গিয়েছিলেন। B) সিকিম, ভুটান - এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি পুথি সংগ্রহের জন্য সিকিম বা ভুটানে যাননি। C) কাশী, বেনারস - এই অপশনটি ভুল কারণ কাশী বা বেনারস পুথি আবিষ্কারের স্থান নয়। D) বোম্বে, জয়পুর - এই অপশনটি ভুল কারণ বোম্বে বা জয়পুর থেকে কোনো প্রাচীন পুথি তিনি আবিষ্কার করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের গল্প মনে রাখতে নেপাল ও তিব্বত শব্দ দুটি মনে রাখবে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নেপাল ভ্রমণ চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সালটি হলো ১৯০৭ সাল। পুথিটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0