প্রশ্নের বর্ণনা

a বৌদ্ধোধর্ম প্রচার
b কাহিনী বর্ণনা
c দেহতত্ত্ব
d বৌদ্ধোধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৌদ্ধোধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ মূলত সহজিয়া বৌদ্ধ সাধকদের সাধন সংগীত। এই পদগুলোতে বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের পরিবর্তে গুহ্য সাধনা ও তত্ত্বকথা অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সাংকেতিক ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া সম্প্রদায়ের তত্ত্বপ্রকাশক গীতসংকলন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপ্প রঞ্জই হঅ বিমুদ্ধা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের এই লাইনে মনের শুদ্ধি ও গুহ্য সাধনার কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সূরজ নারি সহজ দুগ্ধ। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি তাত্ত্বিক রূপক যা দেহতত্ত্বের সঙ্গে মিশে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৌদ্ধোধর্ম প্রচার — চর্যাপদ ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে লেখা সাধারণ প্রচারপত্র ছিল না, এটি ছিল সাধকদের অভ্যন্তরীণ সাধনা সংগীত। B) কাহিনী বর্ণনা — চর্যাপদে কোনো ধারাবাহিক বা কাল্পনিক কাহিনী বর্ণনা করা হয়নি, বরং এটি ছিল সাধনপদ্ধতির রূপক প্রকাশ। C) দেহতত্ত্ব — দেহতত্ত্ব চর্যাপদের একটি অংশ বা উপাদান হলেও, এর মূল পরিধি জুড়ে রয়েছে সামগ্রিক বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা। D) বৌদ্ধোধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা — এটি সঠিক কারণ চর্যাপদের প্রতিটি পদের আড়ালে নিহিত রয়েছে বজ্রযান ও সহজযান সম্প্রদায়ের গভীর আধ্যাত্মিক ও গূঢ় তত্ত্ব। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ মানেই গূঢ় তত্ত্ব। সহজিয়া বৌদ্ধরা সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয় এমন ভাষায় তাদের গূঢ় সাধনার কথা এতে লিখেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চর্যাপদের মূল বিষয়বস্তু কী, যার উত্তর হবে বৌদ্ধধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0