প্রশ্নের বর্ণনা

a উপপদ তৎপুরুষ
b অলুক দ্বন্দ
c বহুপদী দ্বন্দ
d ব্যতিহার বহুব্রীহি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুপদী দ্বন্দ ১. কেন সঠিক: যে দ্বন্দ সমাসে দুইয়ের অধিক পদ মিলে সমাস হয় এবং পদগুলোর প্রত্যেকটির বিভক্তি লোপ পায়, তাকে বহুপদী দ্বন্দ সমাস বলে। এখানে তেল, নুন ও লাকড়ি তিনটি পদ মিলে একসাথে একটি সমাসবদ্ধ পদ গঠন করেছে এবং সবগুলোর বিভক্তি লোপ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে দ্বন্দ সমাসে দুইয়ের বেশি পদ যুক্ত হয়ে সমাস গঠন করে এবং সমস্ত পদে সব পদের অর্থ সমানভাবে প্রাধান্য পায়, তাকে বহুপদী দ্বন্দ বা বহুপদবদ্ধ দ্বন্দ বলে। এই সমাসে সাধারণত এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় পদ লুপ্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাত, পা, নাক, কান ব্যাখ্যা: এটি বহুপদী দ্বন্দ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে চার'টি পদ মিলে এক সাথে সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: সাহেব, সুবো, বিবি ব্যাখ্যা: এটিও বহুপদী দ্বন্দ সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে একাধিক পদ মিলে একটি পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপপদ তৎপুরুষ — উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) অলুক দ্বন্দ — যে দ্বন্দ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ বলে, কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপ পেয়েছে। D) ব্যতিহার বহুব্রীহি — ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাবুঝিতে যে বহুব্রীহি সমাস হয় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে, যা এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দুইয়ের অধিক পদ একসাথে মিলেমিশে একাকার হলে এবং মাঝের সংযোজক অব্যয় উহ্য থাকলে চোখ বন্ধ করে বহুপদী দ্বন্দ দাগাবে। পদের সংখ্যা গুনে দেখবে যদি দুইয়ের বেশি হয় এবং সমার্থক বা কাছাকাছি বস্তু বোঝায় তবে এটি বহুপদী দ্বন্দ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই পদের সংখ্যা গণনা করে সমাস নির্ণয় করতে হয়। দ্বন্দ্ব সমাসে সবসময় প্রত্যেকটি সমসমান পদের অর্থ সমানভাবে প্রাধান্য পায়, এই মূলনীতিটি মনে রাখলে যেকোনো দ্বন্দ্ব সমাস সহজে সমাধান করা যাবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0