প্রশ্নের বর্ণনা

a হিন্দুধর্ম ও শৈবধর্ম
b বৌদ্ধধর্ম ও শৈবধর্ম
c হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম
d ব্রাক্ষধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৌদ্ধধর্ম ও শৈবধর্ম ১. কেন সঠিক: - নাথ ধর্ম মূলত বৌদ্ধধর্মের সহজিয়া মত এবং হিন্দুধর্মের শৈব বা নাথ পন্থার মিলনে গড়ে ওঠা একটি প্রাচীন মধ্যযুগীয় ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ধারা। - এই ধর্মে যোগসাধনা এবং তান্ত্রিক বিশ্বাসের মিশ্রণ দেখা যায় যা বৌদ্ধ ও শৈব উভয় ধারার সংমিশ্রণের ফসল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বা মধ্যযুগের প্রারম্ভিক পর্যায়ে নাথ সাহিত্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। - মীননাথ, গোরক্ষনাথ এবং মৎস্যেন্দ্রনাথ এই ধর্মের প্রধান প্রচারক ও সাধক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরক্ষবিজয় ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যা নাথ ধর্মের সাধনা ও তত্ত্ব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস এবং নাথ ধর্মের প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দুধর্ম ও শৈবধর্ম — শৈবধর্ম নিজেই হিন্দুধর্মের একটি অংশ, তাই এদের মিশ্রণে নতুন কোনো স্বতন্ত্র ধর্মের উৎপত্তি হয়নি। C) হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম — এটি অতি amplio বা ব্যাপক একটি প্রকাশ, কারণ নাথ ধর্মে কেবল সামগ্রিক হিন্দুধর্ম নয়, বিশেষ করে শৈব মতবাদ যুক্ত ছিল। D) ব্রাক্ষধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম — ব্রাহ্মধর্ম ১৯ শতকে রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়, যা প্রাচীন নাথ ধর্মের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নাথ ধর্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো বৌদ্ধ ও শিবের মিশ্রণ, যেখানে গোরক্ষনাথ প্রধান সাধক। - মনে রাখবে, শৈবধর্মের শিব এবং বৌদ্ধ সহজিয়ারা মিলে নাথ সমাজ তৈরি করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন বা মধ্যযুগের সূচনা পর্বে নাথ সাহিত্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - বৌদ্ধ ও শৈব ধর্মের এই সমন্বয় ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0