প্রশ্নের বর্ণনা

a নাগরী লিপি
b শ্যামী লিপি
c সিংহলী লিপি
d ব্রাক্ষী লিপি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাক্ষী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে যা ভারতীয় লিপিগুলোর মূল উৎস হিসেবে স্বীকৃত। - প্রাকৃত ও সংস্কৃত ভাষার লেখার মাধ্যম হিসেবে ব্রাহ্মী লিপি থেকে বিবর্তিত হয়ে বাংলা লিপি আজকের রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সংক্রান্ত প্রশ্ন এটি যেখানে প্রাচীন লিপি বিবর্তনের ধারা আলোচনা করা হয়। - ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং কুটিল লিপি থেকে প্রাচীন কামরূপী বা বঙ্গ লিপি হয়ে আধুনিক বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: এটিও ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে যা হিন্দি ও নেপালি ভাষা লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: এই লিপিটিও প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় শাখা থেকে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগরী লিপি — এটি উত্তর ভারতের একটি লিপি যা বাংলা লিপির সরাসরি উৎস নয় বরং ব্রাহ্মী লিপির অন্য একটি শাখা। B) শ্যামী লিপি — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি লিপি যার সঙ্গে বাংলা লিপির উৎপত্তিগত কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। C) সিংহলী লিপি — এটি শ্রীলঙ্কায় ব্যবহৃত ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত একটি লিপি যা বাংলা লিপির জন্মপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ব্রাক্ষী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা লিপিসহ দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ লিপির আদি উৎস হলো এই প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা লিপির জন্ম মনে রাখতে আদি উৎস হিসেবে ব্রাহ্মী লিপি নামটি মনে রাখতে হবে। - দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব লিপির জননী বলা হয় ব্রাহ্মী লিপিকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লিপির বিবর্তনের ধারা মনে রাখলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0