প্রশ্নের বর্ণনা

a অনৌচিত্য
b অনুচিত্য
c হিম্মত
d ভয়ার্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনৌচিত্য ১. কেন সঠিক: 'ঔচিত্য' শব্দের অর্থ হলো উপযুক্ততা বা ঠিক ভাব। এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে 'অনু' বা 'অন' উপসর্গ বা না-বোধক উপসর্গ যুক্ত করা হয়, যার ফলে সঠিক বিপরীত শব্দ হয় 'অনৌচিত্য'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ তৈরির সময় অনেক ক্ষেত্রে 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা হয়। ঔচিত্য শব্দটি বিশেষ্য পদ হওয়ায় এর পূর্বে অন উপসর্গ যুক্ত হয়ে অনৌচিত্য বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচিত ও অনুচিত ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দের জোড়া যা ঠিক ও বেঠিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বিনীত ও অবিনীত ব্যাখ্যা: বিনীত শব্দের বিপরীত শব্দ হলো অবিনীত যেখানে অ উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনৌচিত্য — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) অনুচিত্য — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত বাংলায় এটি গৃহীত নয়। C) হিম্মত — এই শব্দটির অর্থ সাহস, যা ঔচিত্য শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। D) ভয়ার্ত — এই শব্দটির অর্থ ভীত বা ভয় দ্বারা আক্রান্ত, যা ঔচিত্য বা উপযুক্ততার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শুরুতে ঔ থাকলে বিপরীত শব্দ করার সময় সাধারণত অনৌ যুক্ত হয় যেমন ঔচিত্য থেকে অনৌচিত্য। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0