প্রশ্নের বর্ণনা

a সারাংশে
b চিঠিতে
c রচনায়
d ভাব সম্প্রসারণে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সারাংশে ১. কেন সঠিক: - সারাংশ লেখার মূল নিয়ম হলো মূল রচনার বক্তব্যকে ছোট করে নিজের ভাষায় প্রকাশ করা, যেখানে কোনো অতিরিক্ত উদাহরণ, ব্যাখ্যা বা আলংকারিক কথা ব্যবহার করা যায় না। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোথায় দৃষ্টান্ত বা উদাহরণ দেওয়া যায় না, যার সঠিক উত্তর সারাংশ কারণ এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সারাংশ হলো কোনো দীর্ঘ রচনা, প্রবন্ধ বা নিবন্ধের মূল ভাবকে সংক্ষেপে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যম। - সারাংশ লেখার সময় অপ্রয়োজনীয় অংশ, উদ্ধৃতি, রূপক এবং লেখকের মূল বক্তব্যের বাইরে কোনো নতুন দৃষ্টান্ত বা উদাহরণ যোগ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাব সম্প্রসারণে দৃষ্টান্ত ব্যবহার করা যায়। ব্যাখ্যা: ভাব সম্প্রসারণ হলো গূঢ়ার্থকে স্পষ্ট করার প্রক্রিয়া, তাই বোঝানোর সুবিধার্থে এতে উদাহরণ ও উদ্ধৃতি দেওয়া বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: রচনার মধ্যে প্রচুর দৃষ্টান্ত থাকে। ব্যাখ্যা: একটি পূর্ণাঙ্গ রচনা বা প্রবন্ধে বক্তব্যকে জোরালো করতে বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত এবং প্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্ত বা উদাহরণ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারাংশে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং সারাংশে দৃষ্টান্ত দেওয়া যায় না। B) চিঠিতে — চিঠিপত্রে মনের ভাব প্রকাশের জন্য প্রয়োজন সাপেক্ষে বিভিন্ন প্রসংগ বা দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা সম্ভব। C) রচনায় — রচনা একটি দীর্ঘ উপস্থাপনা, তাই নিজের বক্তব্য প্রমাণের জন্য এতে নানা রকম দৃষ্টান্ত ও উদাহরণ দেওয়া হয়। D) ভাব সম্প্রসারণে — ভাব সম্প্রসারণের মূল কাজই হলো কঠিন বা গভীর ভাবকে সহজ করার জন্য উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত দেওয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - সারাংশ মানে হলো সারসংকলন বা সংক্ষিপ্ত রূপ, যেখানে ছোট জায়গার মধ্যে শুধু মূল কথা বলতে হয় তাই সেখানে কোনো দৃষ্টান্ত বা উদাহরণের স্থান থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাব সম্প্রসারণ এবং সারাংশের মৌলিক পার্থক্যের ওপর প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে, সারমর্ম বা সারাংশ সবসময় মূল রচনার এক-তৃতীয়াংশ বা তার কম হয় এবং এতে অতিরিক্ত কোনো উদাহরণ দেওয়া যায় না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0