প্রশ্নের বর্ণনা

a সংজ্ঞাবাচক
b গুণবাচক
c বস্তুবাচক
d ভাববাচক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংজ্ঞাবাচক ১. কেন সঠিক: - যে বিশেষ্য পদ দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান, নদী, পর্বত, সমুদ্র, গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের প্রমিত নাম বোঝায়, তাকে সংজ্ঞাবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য বলে। - প্রশ্নোক্ত সোনার তরী, বিষের বাঁশী এবং নকশীকাঁথার মাঠ প্রতিটি শব্দই নির্দিষ্ট ও স্বতন্ত্র সাহিত্যকর্মের সুনির্দিষ্ট নাম নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সোনার তরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য এবং কাব্যগ্রন্থের নাম যা বাংলা সাহিত্যে প্রতীকী কবিতার অনন্য নিদর্শন। - বিষের বাঁশী হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে আলোড়ন তুলেছিল। - নকশীকাঁথার মাঠ জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত বর্ণনামূলক পল্লীকাব্য যা বিশ্বসাহিত্যেও সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থের নাম হওয়ায় এটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: পদ্মা নদী ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট নদীর নাম নির্দেশ করায় এটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যের প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংজ্ঞাবাচক — এটি সঠিক কারণ প্রদত্ত শব্দগুলো নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের নাম। B) গুণবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ গুণবাচক বিশেষ্য কোনো বস্তু বা ব্যক্তির দোষ বা গুণ বোঝায় যেমন সততা বা মধুরতা। C) বস্তুবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ বস্তুবাচক বিশেষ্য কোনো উপাদান বা উপাদানের সমষ্টি বোঝায় যা পরিমাপ করা যায় যেমন লোহা বা চাল। D) ভাববাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাববাচক বিশেষ্য কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করে যেমন ভোজন বা শয়ন। ৫ মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট নাম যেমন নদী, মানুষ, বই বা স্থানের নাম পেলে চোখ বন্ধ করে সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য দাগাবে। সাহিত্যিক বই বা কাব্যের নাম সবসময় সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যের আওতাভুক্ত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কাব্য, উপন্যাস বা নাটকের নাম দিয়ে পদের নাম জানতে চাইলে তা সবসময় সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাধারণ名词 বা উপাদানের নামের সাথে বইয়ের নামের পার্থক্য বুঝতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0