প্রশ্নের বর্ণনা

a জীবানুভূতির গভীরতায়
b কাহিনীর সরলতা ও জটিলতা
c দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায়
d ভাষার প্রকারভেদে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবানুভূতির গভীরতায় ১. কেন সঠিক: ট্রাজেডি, কমেডি এবং ফার্স—এই তিনটিই নাটকের প্রধান তিনটি রূপভেদ বা শ্রেণি। এই রূপগুলোর মূল পার্থক্য নিহিত থাকে মানবজীবনের অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতার গভীরতার ওপর। ট্রাজেডিতে থাকে গভীর বেদনা, পতন এবং জীবনের পরম সত্যের প্রকাশ। অন্যদিকে কমেডি ও ফার্সে থাকে লঘু রস, হাস্যরস এবং জীবনের হালকা বা আনন্দময় দিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নাটক মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না ও দ্বন্দ্বের রূপায়ন। পাশ্চাত্য নাট্যতত্ত্বে ট্রাজেডি হলো জীবনের দুঃখজনক পরিণতি, কমেডি হলো জীবনের আনন্দময় ও মিলনান্তক রূপ এবং ফার্স হলো নিছক হাস্যরস ও ভাঁড়ামো সৃষ্টিকারী লঘু নাটক। এই তিনটি ধারার মূল উদ্দেশ্য ভিন্ন হলেও এদের মূল ভিত্তি হলো মানুষের জীবানুভূতির বিভিন্ন মাত্রা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেকসপিয়ারের ম্যাকবেথ একটি বিখ্যাত ট্রাজেডি নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকে উচ্চাকাঙ্ক্ষার পতন এবং গভীর ট্র্যাজিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: মলিয়েরের দ্য মাইজার একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকে মানবীয় দুর্বলতা ও কৃপণতা নিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবানুভূতির গভীরতায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের এই রূপভেদগুলো মূলত মানুষের অনুভূতির গভীরতার ওপর ভিত্তি করেই আলাদা হয়। B) কাহিনীর সরলতা ও জটিলতা — কাহিনীর গঠন সরল বা জটিল হতে পারে, কিন্তু এটি ট্রাজেডি বা কমেডি নির্ধারণের মূল মাপকাঠি নয়। C) দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায় — দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতা সাহিত্যের অন্যান্য শাখায় গুরুত্বপূর্ণ হলেও নাটকের এই তিন রূপের মূল ভিত্তি এটি নয়। D) ভাষার প্রকারভেদে — ট্রাজেডি বা কমেডিতে ভাষা গম্ভীর বা লঘু হতে পারে, কিন্তু ভাষার প্রকারভেদ এদের মূল পার্থক্য তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: নাটকের রূপভেদের মূল চাবিকাঠি হলো মানুষের অনুভূতি। ট্রাজেডিতে অনুভূতি গভীর ও বেদনাদায়ক, আর কমেডি বা ফার্সে অনুভূতি হালকা ও আনন্দদায়ক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকের সংজ্ঞা এবং প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ট্রাজেডি মানেই গম্ভীর পরিণতি এবং কমেডি বা ফার্স মানেই হাস্যরস, এই মৌলিক ধারণাটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0