প্রশ্নের বর্ণনা

a শেখ ফয়জুল্লাহ
b দুর্লভ মল্লিক
c শুকুর মাহমুদ
d ভীমসেন রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ ফয়জুল্লাহ ১. কেন সঠিক: নাথ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন কবি হলেন শেখ ফয়জুল্লাহ। তার বিখ্যাত কাব্য গোরক্ষবিজয় নাথ সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে পরিগণিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: নাথ সাহিত্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা যা নাথধর্ম ও যোগসাধনা কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। এই ধারার প্রধান কবিরা হলেন শেখ ফয়জুল্লাহ, মীননাথ, গোরক্ষনাথ এবং শ্যামদাস সেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত গোরক্ষবিজয় কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্যের একটি প্রামাণিক ও জনপ্রিয় গ্রন্থ যা যোগ সাধনার তত্ত্ব প্রচার করে। উদাহরণ ২: গোরক্ষবিজয় কাব্যের কাহিনী মীননাথ ও গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনাকে কেন্দ্র করে রচিত। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের মাধ্যমে নাথ ধর্মের গূঢ় যোগসাধনা ও পীর সাহিত্যের প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ ফয়জুল্লাহ — ইনি নাথ সাহিত্যের প্রধান ও প্রখ্যাত কবি যিনি গোরক্ষবিজয় রচনা করেন। B) দুর্লভ মল্লিক — ইনিও নাথ সাহিত্যের কবি হলেও প্রধান কবি হিসেবে শেখ ফয়জুল্লাহর নাম সর্বাগ্রে আসে। C) শুকুর মাহমুদ — ইনি মৈমনসিংহ গীতিকা ও অন্যান্য লোকসাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট কবি। D) ভীমসেন রায় — ইনি মধ্যযুগের অন্য ধারার একজন সামান্য পরিচিত কবি, নাথ সাহিত্যের প্রধান কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: নাথ সাহিত্যের প্রধান কবি শেখ ফয়জুল্লাহকে মনে রাখতে ফয়জুল্লাহ নামের প্রথম অংশটি নাথ সাহিত্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। এভাবে সহজেই পরীক্ষায় সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাথ সাহিত্যের প্রধান কবি কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। তাই শেখ ফয়জুল্লাহ ও তার বিখ্যাত কাব্য গোরক্ষবিজয় ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0