প্রশ্নের বর্ণনা

a গ
b ত
c এ
d ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ ১. কেন সঠিক: বর্ণ হলো মানুষের মুখনিঃসৃত বাকধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক। বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ হলো এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হলো fচল্লিশটি। অপশন সি-তে থাকা 'এ' বর্ণটি স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না, তাদেরকে স্বরবর্ণ বলা হয়। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও লিখিত স্বরবর্ণের সংখ্যা এগারোটি। এই এগারোটি স্বরবর্ণ হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ওই, ও, ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার প্রথম এবং সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত একটি স্বরবর্ণ। উদাহরণ ২: ই ব্যাখ্যা: এটি একটি হৃস্ব স্বরবর্ণ যা উচ্চারণে কম সময় নেয় এবং এটিও স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ — এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ কারণ এটি স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে না। B) ত — এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ এবং দন্ত্য বর্গীয় ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। D) ম — এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ এবং ওষ্ঠ্য বর্গীয় নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি তা মনে রাখলে সহজেই ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে আলাদা করা যায়। অ থেকে ঔ পর্যন্ত এই এগারোটি বর্ণ দেখলেই তাকে স্বরবর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ fচল্লিশটি, এই সংখ্যাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এবং লিখিত রূপ কয়টি, তা ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0