প্রশ্নের বর্ণনা

a গোমড়া মুখো
b হাট-বাজার
c রাতকানা
d মধুকণ্ঠী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাট-বাজার ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝখানে সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - হাট-বাজার শব্দটিতে হাট ও বাজার উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান এবং এখানে ও সংযোজক অব্যয়টি লুক্কায়িত আছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয় এবং সমস্ত পদে সেগুলো লুপ্ত হয়ে যায়। - সমসমান পদের মিলনে গঠিত এই সমাসে পদ দুটির ব্যাকরণগত মর্যাদা সমান থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা-বাবা ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাস, যার ব্যাসবাক্য হলো মা ও বাবা এবং এখানে উভয় পদের অর্থই প্রধান। উদাহরণ ২: ভাই-বোন ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাস, যার ব্যাসবাক্য হলো ভাই ও বোন এবং এখানে উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোমড়া মুখো — এটি বহুব্রীহি সমাস, যার অর্থ গোমড়া মুখ যার এবং এটি অন্য পদকে বোঝায়। B) হাট-বাজার — এটি সঠিক দ্বন্দ্ব সমাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। C) রাতকানা — এটি অধিকরণ তৎপুরুষ সমাস, যার ব্যাসবাক্য রাতে কানা এবং এতে পরের পদের অর্থ প্রধান। D) মধুকণ্ঠী — এটি বহুব্রীহি সমাস, যার অর্থ মধুর মতো কণ্ঠ যার এবং এটি অন্য কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত পদে দুটি সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ জোড়ায় বসে এবং মাঝখানে ও বা এবং উহ্য থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলবে। - দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের মিলন ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য কল্পনা করে দেখতে হবে কোন পদের অর্থ প্রধান। - জোড়া শব্দ বা সমার্থক পদের মিলনে গঠিত শব্দগুলো সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0