প্রশ্নের বর্ণনা

a ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ
b অলুক দ্বন্দ্ব
c উপমান কর্মধারয়
d মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পেয়ে সমস্ত পদ গঠিত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। - প্রাণভয় শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো প্রাণের ভয়ে ভয়, যেখানে মাঝের ভয়ে পদটি লোপ পেয়ে সমস্ত পদটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে সাধিত হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য সম্প্রসারণ করলে মাঝখানে যে পদ বা পদগুচ্ছ থাকে, সমস্ত পদে তা অদৃশ্য বা লোপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা রাত ব্যাখ্যা: জোছনা শোভিত রাত = জোছনা রাত, এখানে শোভিত মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: পোলাও মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন, এখানে মিশ্রিত মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ — কারণ ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে র বা এর বিভক্তি লোপ পায় এবং এখানে পদের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়। B) অলুক দ্বন্দ্ব — কারণ অলুক দ্বন্দ্ব সমাসে সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তির লোপ ঘটে না এবং এটি দুটি পদের মিলনে হয়। C) উপমান কর্মধারয় — কারণ উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি সাধারণ ধর্মবাচক পদ থাকে এবং তুলনা বোঝায়। D) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পাওয়ার শর্ত পূর্ণ হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ যদি সমস্ত পদে উধাও হয়ে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগাবে। - মাঝের পদ লোপ পাওয়ার ব্যাপারটি মনে রাখলে এই সমাস খুব সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই এ জাতীয় শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য চর্চা করতে হবে। - একই নিয়মে স্মৃতিসৌধ (স্মৃতির উদ্দেশ্যে সৌধ) বা পলান্ন (পোলাও মিশ্রিত অন্ন) শব্দগুলোর সমাসও নির্ণয় করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0