প্রশ্নের বর্ণনা

a ইসলাম ধর্মের ইতিহাস
b চট্টগ্রামের সচিত্র ইতিহাস
c পশ্চিম পাকিস্তানের ইতিহাস
d মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রামের সচিত্র ইতিহাস ১. কেন সঠিক: - আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের 'ইসলামাবাদ' প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তু হলো চট্টগ্রামের প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সচিত্র বিবরণ। - ইসলামবাদ নামটি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক একটি নাম, যা মুঘল আমল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এই গ্রন্থে তার প্রামাণ্য বিবরণ রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক কিংবদন্তি গবেষক, প্রাচীন পুথি সংগ্রাহক ও ইতিহাসবিদ। - তাঁর এই রচনাটি মূলত চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য দলিল, যা সাহিত্য ও ইতিহাসের দিক থেকে অত্যন্ত মূল্যবান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের সংকলিত 'বাংলা প্রাচীন পুথির বিবরণ' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক অবদানের নিদর্শন, যা প্রাচীন বাংলা পুথি উদ্ধারে সাহায্য করেছে। উদাহরণ ২: দীনেশচন্দ্র সেনের 'বৃহৎ বঙ্গ' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থ, যা আঞ্চলিক ইতিহাসের সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম ধর্মের ইতিহাস — এই প্রবন্ধটি ইসলাম ধর্মের সামগ্রিক ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে না, বরং চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত। C) পশ্চিম পাকিস্তানের ইতিহাস — এই প্রবন্ধের বিষয়বস্তু পাকিস্তান বা পশ্চিম পাকিস্তানের ইতিহাস নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে চট্টগ্রামের স্থানীয় ইতিহাস সম্পর্কিত। D) মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস — মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বা সামাজিক ইতিহাস এই গ্রন্থের আলোচ্য বিষয় নয়, কারণ এর মূল ফোকাস বাংলা অঞ্চলের চট্টগ্রাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাহিত্য বিশারদ মানেই প্রাচীন পুথি ও চট্টগ্রামের ইতিহাস গবেষক। - চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক প্রাচীন নাম ছিল Islamabad, তাই Islamabad প্রবন্ধের বিষয় চট্টগ্রাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের জন্মস্থান চট্টগ্রাম, তাই তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্রও চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ ও বিষয়বস্তু প্রায়ই মিল করতে দেওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0