প্রশ্নের বর্ণনা

a সম্ + চায় = সঞ্চয়
b রাজ + জ্ঞী = রাজ্ঞী
c শ + অন = শয়ন
d মনো + কষ্ট = মনোঃকষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্ + চায় = সঞ্চয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ম্-এর পর চ কিংবা ছ থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। এখানে সম্ পদের ম্-এর পরে চায় পদের চ থাকায় ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়েছে এবং সঠিক শব্দ গঠিত হয়েছে সঞ্চয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ম্ ধ্বনির পরবর্তী চ বর্গীয় ধ্বনির প্রভাবে এই পরিবর্তন ঘটে। ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনের ফলে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + চয় = সঞ্চয় ব্যাখ্যা: ম্-এর পরে চ থাকায় ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + চয়ন = সঞ্চয়ন ব্যাখ্যা: এখানেও একই নিয়মে ম্ স্থানে অনুস্বার যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্ + চায় = সঞ্চয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) রাজ + জ্ঞী = রাজ্ঞী — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো রাজ + রাজ্ঞী নয়, বরং রাজ্ + ঝী বা রাজ্ + ঙী। C) শ + অন = শয়ন — এই অপশনটি ভুল কারণ শয়ন শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শে + অন। D) মনো + কষ্ট = মনোঃকষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বিচ্ছেদ হলো মনঃ + কষ্ট এবং এটি বিসর্গসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ম-এর পরে চ বা ছ পেলে ম-কে অনুস্বার বানিয়ে দেবে। ব্যঞ্জনসন্ধির এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত সঠিক উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। নাসিক্য ধ্বনি ম-এর স্থানীয় পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0