প্রশ্নের বর্ণনা

a ধর্ম, ভবন, বোষ্টম, বদমাস
b পুত্র, চামার, টোপর, জ্যোছনা
c চুলা, কাঁচি, চর্মকার, মনুষ্য
d মহকুমা, কুচ্ছিত, নক্ষত্র, গিন্নি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুত্র, চামার, টোপর, জ্যোছনা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুচ্ছে যথাক্রমে তৎসম, তদ্ভব ও দেশী শব্দের সঠিক ক্রম বিদ্যমান রয়েছে। - এখানে 'পুত্র' তৎসম, 'চামার' তদ্ভব, 'টোপর' দেশী এবং 'জ্যোছনা' অর্ধ-তৎসম শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - এই ভাগে তৎসম, তদ্ভব, অর্ধ-তদ্সম, দেশী ও বিদেশী শব্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র, হাত, কুলা ব্যাখ্যা: এখানে চন্দ্র তৎসম, হাত তদ্ভব এবং কুলা দেশী শব্দের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মস্তক, নাক, ডেলা ব্যাখ্যা: এখানে মস্তক তৎসম, নাক তদ্ভব এবং ডেলা দেশী শব্দের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধর্ম, ভবন, বোষ্টম, বদমাস — এখানে বোষ্টম অর্ধ-তদ্সম এবং বদমাস বিদেশী শব্দ হওয়ায় সঠিক ক্রম মেলেনি। B) পুত্র, চামার, টোপর, জ্যোছনা — এই অপশনটি সঠিক ক্রম বহন করে। C) চুলা, কাঁচি, চর্মকার, মনুষ্য — এখানে দেশী শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে কিন্তু প্রশ্ন অনুযায়ী ক্রম সঠিক নয়। D) মহকুমা, কুচ্ছিত, নক্ষত্র, গিন্নি — এখানে মহকুমা বিদেশী ও কুচ্ছিত অর্ধ-তদ্সম শব্দ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - শব্দের উৎস মনে রাখতে প্রথমে সংস্কৃত মূল শব্দ, তার প্রাকৃত রূপ এবং দেশী প্রচলিত শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করতে হবে। - পরীক্ষার হলে শব্দের রূপ পরিবর্তনের ধারা লক্ষ করে উৎস নির্ণয় করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0