প্রশ্নের বর্ণনা

a যথা + উচিৎ = যথোচিত
b যথাঃ + ইষ্ট = যথেষ্ট
c শীত + ঋত = শীতার্ত
d মহা + ঋষি = মহর্ষি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যথাঃ + ইষ্ট = যথেষ্ট ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং B অপশনের সন্ধি বিচ্ছেদটি ব্যাকরণগত নিয়মে ভুল। - সঠিক নিয়মে যথেষ্ট শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হবে যথ + ইষ্ট, যেখানে অ অথবা আ এর পর ই বা ঈ থাকলে উভয় মিলে এ কার হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যেখানে অ কিংবা আ এর সাথে ই কিংবা ঈ যুক্ত হলে এ কার গঠিত হয়। - শব্দটির সঠিক বিশ্লেষণ হলো যথ যোগ ইষ্ট এবং এখানে পূর্বপদের অ এবং পরপদের ই মিলে এ কার হয়ে যথেষ্ট শব্দটি গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুর + ইন্দ্র = সুরেন্দ্র ব্যাখ্যা: অ কারের পর ই কার যুক্ত হয়ে এ কার গঠিত হওয়ার এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। উদাহরণ ২: মহা + ইন্দ্র = মহেন্দ্র ব্যাখ্যা: আ কারের পর ই কার যুক্ত হয়ে এ কার গঠিত হওয়ার নিয়মের আরেকটি সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথা + উচিৎ = যথোচিত — এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ যথা পদের আ এবং উচিৎ পদের উ মিলে ও কার হয়েছে। B) যথাঃ + ইষ্ট = যথেষ্ট — এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয় কারণ এখানে অতিরিক্ত বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক বিচ্ছেদ হবে যথ + ইষ্ট। C) শীত + ঋত = শীতার্ত — এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক কারণ অ কারের পর ঋ কার থাকলে তা মিলে অর্ হয় এবং রেফ যুক্ত হয়ে শীতার্ত গঠন করে। D) মহা + ঋষি = মহর্ষি — এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক কারণ আ কারের পর ঋ কার থাকলে উভয় মিলে অর্ বা মহর্ষি রূপ লাভ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বরসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখার জন্য সূত্রটি হলো অ বা আ এর পর ই বা ঈ থাকলে এ কার হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ বা চিহ্ন ব্যবহার থেকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিসর্গ যুক্ত করে ভুল সন্ধি বিচ্ছেদ অপশনে দেওয়া হয় যা সতর্কতার সাথে শনাক্ত করতে হয়। - গুণসন্ধির এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ জাতীয় সকল প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0